কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়াই মোরেলগঞ্জে একটি বিদ্যালয়ের গাছ কেটে সাবাড়

মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট)প্রতিনিধি :
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে শিা কমিটির অনুমতি ছাড়া ফকিরবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিদ্যালয় কর্তৃপরে বিরুদ্ধে।
জানাগেছে, উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের ফকিরবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ২দিন ধরে বিদ্যালয় চত্বরের বড় বড় ১০টি মেহগনি, ২টি চাম্বল গাছ ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে স্কুল বন্ধ থাকাকালিন বাউন্ডারিতে ৭ জন শ্রমিক গাছ কর্তন করে গাছের ছোট ডালপালা ভাগ বাটোয়ারা করে ভ্যানযোগে কতিপয় ব্যক্তির বাড়িতে নিচ্ছেলেন এ সময় স্থানীয় লোকজন ভ্যান চালকের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গাড়ি চালক স্কুলের মধ্যে ভ্যানে তোলা কাঠ ফেলে রেখে চলে যায়।
স্থানীয় মনিরুজ্জামান শিল্পি, মুন্না শাহ ফকির, নাহিদ হাওলাদার, হান্নান তালুকদারসহ একাধিক ব্যক্তিরা অভিযোগ করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবেশের ভারষ্যম্য রায় যেখানে বৃ রোপন করা জরুরি সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কোন কারন ছাড়াই কর্তন করে বিক্রি করছেন বিদ্যালয় কর্তৃপ। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপরে হস্তপে কামনা করছেন।
বিদ্যালয়ের সভাপতির চাচাতো ভাই সালাহউদ্দিন টিটু বলেছেন ভিন্ন কথা। বিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে কাজের জন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে।
ফকিরবাড়ি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয়ের রুম সংকটের কারনে উন্নয়নকল্পে কাজ চলছে। গাছ কাটার বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কমিটির রেজুলেশন করা হয়েছে। গত ২ বছর ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি আ ন ম বশির উল্লাহ গোলজার টিটো বলেন, ব্যক্তি স্বার্থে গাছ কাটা হয়নি। বিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পের কাজের কারনে গাছ কাটা হয়েছে। গাছগুলো ৪৪ হাজার টাকায় বিক্রয় করা হয়েছে। তিনি বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালনের পর থেকেই নিজের অর্থায়নে সিসি ক্যামেরাসহ একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। বিদ্যালয়ের পিছনে খাল ক্ষণনের কারনে গাছগুলো ঝুঁকিপূর্ন ছিলো। গাছ কর্তন করার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও অবহিত করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ফকিরবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গাছকাটার বিষয়ে তিনি অবহিত নন। বিদ্যালয় কর্তৃপ তাকে কিছুই জানাননি।
এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিা কমিটির সভাপতি হাবিবুল্লাহ বলেন, আমার জানামতে শিা কিমিটির নিকট ওই বিদ্যালয় কর্তৃপ গাছ কাটার আবেদন করেননি। বিষয়টি যেনে উপজেলা মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তাকে খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলা হয়েছে।