মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট)প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আদালতের নিদের্শনা অমান্য করে উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নে প্রভাষক আলী আহম্মাদের জমি দখল করে পাকা ইমারাত নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রভাষক প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেছেন।
সোমবার সরেজমিন ও অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলা খাউলিয়া ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের মৃত. হরমুজ গাজীর ছেলে ধানসাগর নলবুনিয়া আলীম মাদ্রাসার আরবি বিভাগের প্রভাষক আলী আহম্মদ গত ২০ বছর পূর্বে ১ একর ১০ শতক জমি ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি প্রতিবেশী একই গ্রামের প্রভাবশালী কামরুল ইসলাম শরীফ প্রভাষকের উক্ত জমির মধ্যে থেকে ৮ শতক জমিতে জোরপূর্বক পাকা ইমারাত নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ বিষয়ে বাঁধা দিলেও তা মানছে না প্রভাবশালী মহলটি।
ভুক্তভোগী প্রভাষক বাগেরহাট বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা দেঃ নং-২২২/২৫। দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ওই জমিতে উভয় পকে স্থিতিশীল বজায় রাখার জন্য মোরেলগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সর্ম্পকে প্রভাষক আলী আহম্মদ বলেন, তার ক্রয়কৃত জমির মধ্যে থেকে একটি অংশে ৮ শতক জমি জোরপূর্বক কামরুল ইসলাম শরীফ পাকা ইমারাত নির্মাণের কাজ করে আসছেন। প্রথমে ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৪ জারি করলেও থেমে নেই নির্মাণ কাজ। পরবর্তীতে মোরেলগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে স্থায়ী নিশেধাক্ষা চেয়ে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত সেখানে উভয়কে স্থিতিশীল বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তারা নির্দেশনা না মেনে রাতের আধারে কাজ করে আসছেন।
কামরুল ইসলাম শরীফ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, আলী আহম্মদের নিকট থেকে সাড়ে ৭ শতক জমি বাবদ সাড়ে ৫লাখ টাকা দিয়ে কাজটি শুরু করেছি। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরে কাজ বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে সন্ন্যাসী ফাড়ি ইনচার্জ এসআই তমিজ উদ্দিন বলেন, প্রভাষক আলী আহম্মদের দায়েরকৃত মামলায় বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা জারি করে কাজ বন্ধ রেখে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।





